Skip to main content

Bengali(Class--X),চতুর্থ অধ্যায়, Part--2,নম্বর-০১

1)ফাউন্টেন পেনের নামটা বাংলায় রবীন্দ্রনাথ কি দিয়েছিলেন?
উত্তর:ফাউন্টেন পেন বাংলা নামটা রবীন্দ্রনাথ ঝরনা কলম রেখে দিয়েছিলেন৷
2)ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কার কে ছিলেন?
উত্তর:ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কার হলেন লুইস অ্যান্ডসন ওয়াটারম্যান|
3)কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে একটা নামী দোকানে লেখক কি কিনতে গিয়েছিলেন?
উত্তর:কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে একটি নামি দোকানে লেখক ফাউন্টেন পেন কিনতে গিয়েছিল৷
4)প্রথমে ফাউন্টেন পেনের নাম কি ছিল?
উত্তর:প্রথমে ফাউন্টেন পেনের নাম ছিল রিজার্ভার পেন|
5)'তাদের বাহারি সব নাম'--নাম কি?
উত্তর:বাহারি সব নাম হল সুলেখা কালি|
6)ফাউন্টেন পেন বাজার দখল করে  সরিয়ে দিয়েছিল?
উত্তর:দোয়াত আর কলম ফাউন্টেন পেন বাজার দখল করে দিয়েছিল ৷
7)লেখক কার কাছে সোনার দোয়াত কলম দেখেছিলেন?
উত্তর:লেখক সুভাে ঠাকুরের কাছে সোনার দোয়াত কলম দেখেছিলেন।
8) লেখকের শৈশবে লেখার পাত কেমন ছিল?
উত্তর:লেখকের শৈশবে লেখার পাত বলতে ছিল।কাগজাকৃতি তাতেই লেখকরা হোমটাক্স করতেন|
9)লেখকের জন্ম মিশরে হলে লেখক কি করতেন বলেছেন?
উত্তর:লেখকের জন্ম হলে নীল নদীর তীর থেকে নলখাগড়া ভেঙ্গে নিয়ে কলম হিসেবে ব্যবহার করতেন৷
10)স্টাইলাস বলতে কী বোঝায়
উত্তর: ব্রোঞ্জের সরু কাঠি বা শলাকার পোশাকি নাম স্টাইলাস। কলম হিসেবে ব্রোঞ্জের শলাকা ব্যবহার করা হত প্রাচীনকালে|
11) বাঙালি সাংবাদিকদের ইংরেজি দেখে কে কি বলতেন?
উত্তর:বাঙালি সাংবাদিকদের ইংরেজিদেখে লর্ড কার্জন বলতেন 'বাবু কুইল ড্রাইভারস৷'
12)পালক কেটে কলম ও কালি তৈরি করার জন্য সাহেবরা কি করেছিলেন?
উত্তর:পালক কেটে কলম ও কালি তৈরি করার জন্য সাহেবরা পেন্সিল সার্পনারের মতাে এক ধরনের যন্ত্র তৈরি করেন|কালি তৈরি করার জন্য ব্লেড ছিল|
13)পালকের কলম বর্তমানে দেখার জন্য কিসের উপর নির্ভর করতে হয়?
উত্তর:পালকের কলম বর্তমানে দেখার জন্য নির্ভর করতে হয় তৈলচিত্র বা ফটোগ্রাফের ওপর|
14)"গুরুকে অক্ষর খাওয়ানো নাকি৷"--তাই লেখকরা শেষ হবে কি করতেন?
উত্তর:শৈশবের লেখকরা মাস্টারমশাইয়ের ফেরত দেওয়া কলাপাতার অংশটি পুকুরে ফেলে দিতেন|কারণ অমঙ্গল হবে বলে মনে করা হত|
15)"আমি ছিলাম কালি কলমের ভক্ত|"--লেখক এখানে কি বলতে চেয়েছেন?
উত্তর:লেখক পুরনো দিনের দোয়াত ভরা কালি এবং সেই কালির নিব পেনের ভক্ত ছিলেন।
16) প্রথমে এবং পরে লেখা শুকনো হত কি দিয়ে?
উত্তর:প্রথমে বালি এবং পরে ব্লটিং পেপারে লেখা শুকোনো হত|
17)লিপিকুশলী কাদের বলা হয়?
উত্তর:পারদর্শী লিপি করবা ক্যালিগ্রাফিস্টদের বলা হয় 'লিপিকুশলী|'
18)ফাউন্টেন পেন তাদের গর্ব প্রকাশে কি বিজ্ঞাপন দিয়েছিল?
উত্তর:ফাউন্টেন পেন গর্ব করে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল তাদের তহবিলে সাতশো রকমের নিব থাকে৷
19)সত্যজিৎ রায় সম্পর্কে কি বলেছেন?
উত্তর:লেখক বলেছেন,নিবের কলমকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে হাতের লেখার কুশলতার পরিচয় দিয়ে গেছেন সত্যজিৎ রায়৷
২০)সোনার দোয়াত কলম যে সত্যিই হয়,লেখক তা কিভাবে জেনেছিলেন?
উত্তর:সোনার দোয়াত কলম যে সত্যিই হয় তা লেখক জেনেছিলেন সুভাে ঠাকুরের দোয়াত সংগ্রহ দেখে|
21)লিখে কম রোজগার হত এ-প্রসঙ্গে লেখক কি লিখে গিয়েছেন?
উত্তর:এক সাহেব লিখেছিলেন উনিশ শতকে বারো আনায় বএিশ হাজার অক্ষর লেখা হত।
২২)সুভো ঠাকুরের দোয়াতের সংগ্রহ দেখে অবাক হয়ে মনে মনে লেখক কি ভেবে নিয়েছিলেন?
উত্তর:অবাক হয়ে মনে মনে লেখক ভেবেছিলেন এই দোয়াতের কালি ও কলম দিয়ে শেক্সপিয়ার ,দান্তে ,মিল্টন, কালিদাস ,কাশীরাম ও রবীন্দ্রনাথ প্রমুখ সাহিত্যিক তাদের রচনা করে গিয়েছেন৷
23)"কলম এখন সার্বজনীন৷"--তাৎপর্য কি?
উত্তর:সস্তা এবং সর্বভগ্য হওয়ার ফলে কলম সম্পর্কে লেখকের এমন মন্তব্য করেছেন৷
24) ছোট্টবেলায় কলম তৈরি করার সময় বড়রা লেখকদের কি শিখিয়ে গিয়েছিলেন?
উত্তর:ছোটবেলায় কলম তৈরি করার সময় বড়রা শিখিয়েছিলেন বাঁশের কঞ্চির মুখটা চিরে দিতে হবে ,একসঙ্গে না গড়িয়ে ধীরে ধীরে পড়বে|
25)লেখক যেখানে কাজ করে সেটা কিসের অফিস?সবাই সেখানে কি করেন?
উত্তর:লেখক যেখানে কাজ করেন সেটা লেখালিখির অফিস।সেখানে সবাই লেখক ছিলেন৷


Comments

Popular posts from this blog

Bengali (Class--X), Part--3,-০৫

1)"ভিড়ের ট্রামে বাসে যাতায়াতের ফল"--যাতায়াতের সম্বন্ধে যা জানো আলোচনা করো?               অথবা "কলম তাদের কাছে আজ অস্পৃশ্য"---কলম কাদের কাছে অস্পৃশ্য?কলম সম্পর্কে মূল ধারণা দিয়েছেন? উত্তর:'হারিয়ে যাওয়া কালি কলম'রচনা লেখক নিখিল সরকার সময়ের অগ্রগতিরকলামের পরিনতি দেখে তাৎপর্য মন্তব্য করেছে। আধুনিকতার পথে কলম ক্রমশ হারিয়ে যেতে থাকে মানুষের হাত থেকে|গ্রামাঞ্চলেও আজ বাঁশের কঞ্চির কলম,খাগের কলম দেখা যায় একমাত্র সরস্বতী পূজার সময়|পালকের পেন হারিয়ে গিয়ে ফাউন্টেন পেন, সস্তার বল পেন বাজারে চলে আসে৷ তাই পকেটমার ও কলম চুরি করতে পারেনা--'কলম তাদের কাছে আজ অস্পৃশ্য৷ ছেলেবেলা একজন দারোগাবাবুকে দেখেছিলেন যাঁর কলম ছিল পায়ের মোজার গোঁজা।একসময় মানুষের লেখার একমাত্র অবলম্বন ছিল বাঁশের কলম|শৈশবকালে লেখকরা নিজেরাই কলম তৈরি করতে পারতেন|সময়ের অগ্রগতির ফলে বাঁশের কলম উধাও হয়ে গিয়ে চলে এল পালকের কলম|তারপর ফাউনটেন পেন এবং বল পেন বাজার দখল করে ফেলেছিল।ফেরিওয়ালারাও কলম বিক্রি করে পেশা করতেন।অতি আধুনিক ছেলেরা লেখক দেখেছেন কলম বুকপকেটে রাখার পরিবর্তে কাঁধের ছো...

Bengali (Class-X),তৃতীয় অধ্যায়,part-3,নম্বর-০৩

1)"আমাদের পথ নেই কোনো"--এখানে কোন পথের কথা বলা হয়েছে?পথ না থাকার কথা বুঝিয়ে দাও? উত্তর:আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতার কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা জলই পাষাণ হয়ে আছে কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে৷সাম্রাজ্যবাদী ভোগবিলাসী মানুষদের হিংসা-অশান্তিতে যে সাধারণ মানুষের জীবনপথের মন্থর হয়েছে তার কথাই কবি তুলে ধরতে চেয়েছেন। সমাজের চলেছে অরাজক পরিস্থিতিতে৷ এখানে মানুষের কাছে ক্রমশ চলার পথ হারিয়ে যাচ্ছে৷ যার প্রভাবে সাধারণ মানুষ স্বভাব সামাজিক, অর্থনীতি, রাজনৈতিক শোষণের শিকার হয়েছে৷ এই বিপন্ন মানুষদের চলার পথ রুদ্ধ ডানদিকে ধবস আর বাড়ি বায়ে রয়েছে গিরিখাত|মাথার উপরে বোমারুর রয়েছে আর পায়ের নিচে হিমানীর বাঁধ|পা পিছলে পড়ে নিচে নেমে আসলেই মৃত্যুর ঘটনা ঘটার পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে। তাই কবি যথার্থই বলেছেন বিপন্ন মানুষের অগ্রগতির পথ নেই,বেঁচে থাকার উপায় নেই সাধারণ মানুষের| 2) "আমাদের ইতিহাস নেই"---ইতিহাস বলতে কী বোঝায়? কথাটি কেন ব্যাখ্যা করেছেন? উত্তর:'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতার কবি হলেন শঙ্খ ঘোষ লেখা জলই পাষাণ হয়ে আছে কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ইতিহাস আসলে জাতির ...